নবম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট উত্তর

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই করি।

নবম শ্রেণীর এসাইন্টমেন্ট ব্যবসায় উদ্যোগ
নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
১.আত্নকর্মসংস্থান কি?
উত্তর:সাধারণত নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিজেকেই করাকে আত্নকর্মসংস্থান  বলা হয়। এর জন্য স্বাধীনভাবে মানুষ নিজস্ব পেশায় আত্ননিয়োগ হতে পারে।

আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান না। আবার অনেক অনেক চেষ্টা করেও চাকরি জোগাড় করতে পারছেন না। আবার এমনও হয় যে যোগ্যতা অনুসারে চাকরি পাওয়া দুর্লভ হয়ে পড়ছে। অনেক সময় কাঙ্খিত আয়ের অভাবে পরিবার ও নিজের ব্যয় নির্বাহ সম্ভব হয় না।

আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যমে  একজন মানুষ নিজের পাশাপাশি অনেক বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে অধিক চাহিদাকৃত চাকরির উপর চাপ কম পরে এবং সেই সাথে বেকারত্ব হ্রাস পায়।

২.এক মালিকানা ব্যবসায় ৫ টি উপযুক্ত ক্ষেত্রে নাম লিখ।
উত্তর:যে ব্যবসায় মালিক,পরিচালক সংঘঠক ও পুঁজি সরবরাহকারী সকল প্রকার ঝুঁকি বহন করে এবং সমুদয় মুনাফা ভোগ করে থাকেন তাকে এক মালিকানা ব্যবসা বলে। এক মালিকানা ব্যবসায় ৫ টি উপযুক্ত ক্ষেত্রে নাম নিচে দেওয়া হলো :
১.ক্ষুদ্রায়তনের সংগঠন
২.স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়
৩.কম ঝুঁকির ব্যবসায়
৪.কৃষি পণ্যের ব্যবসায়
৫.পরিবর্তনশীল চাহিদা পণ্যের ব্যবসায়।

৩.”চুক্তি অংশীদারি ব্যবসায় মূল ভিত্তি ” ৫ টি বাক্যের উত্তর লিখ।
উত্তর:অংশিদ্বারী ব্যবসা হলো চুক্তি দ্বারা দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে বৈধ উপায়ে উপার্জনের নিমিত্তে যে ব্যবসায় গড়ে উঠে। অংশীদ্বারি আইনে চুক্তির যে অবস্থান এবং সংগঠন পরিচালনায় চুক্তির গুরুত্ব এবং তাৎপর্য হতে জোরালোভাবে বলা যায় চুক্তিই অংশীদ্বারি ব্যবসার মূল ভিত্তি এবং উদ্যোগক্তাদের মধ্যে চুক্তি থেকেই অংশিদ্বারী ব্যবসার জন্ম। কেবলমাত্র মুনাফা লাভের  আশায় কতিপয় ব্যক্তির মিলিত সংগঠনকে অংশিদ্বারী সংগঠন বলা যাবে না। যখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে কোনো ধরণের চুক্তিগত বন্ধনের সৃষ্টি না হয়। একটি অংশিদ্বারী কারবার নিরূপনে সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হয় অংশিদ্বারী চুক্তিপত্রকে। তাহলে বুঝাই যায় চুক্তিপত্র ছাড়া অংশিদ্বারি ব্যবসা কল্পনাই করা যায় না।

৪.কপিরাইট কাকে বলে ?
উত্তর:লেখক বা শিল্প কতৃক তার সৃষ্টির উপর একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্থায়ী আইনগত অধিকার কে কপিরাইট বলে। সাধারণত গল্প,নাটক ,প্রবন্ধ ,কবিতা জাতীয় সাহিত্যকর্ম,চিত্রকর্ম ,চলচিত্র ,যন্ত্র চালক,ভাস্কর্য ,স্থাপত্যকলা কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।

আজ এই পর্যন্তই। সামনে নতুন কোনো টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। ধন্যবাদ সবাইকে।
মাস্ক পড়ুন
সুস্থ থাকুন

Related keyphrase: নবম শ্রেণীর ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট উত্তর, নবম শ্রেণীর ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট ৯ম শ্রেণির উত্তর, ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট ৯ম শ্রেণির উত্তর, ক্লাস নাইন ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট উত্তর, ক্লাস নাইন ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

Related Posts

3 Comments

Leave a Reply

⚠️

Ad Blocker Detected

Our website uses advanced technology to provide you with free content. Please disable your Ad Blocker or whitelist our site to continue.