ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে কতদিন লাগে

আসসালামুআলাইকুম। সবাই কেমন আছেন। আশা করি ভালই আছেন। আজকের আলোচনাটি হবে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের প্রাথমিক পর্যায়ের যেখানে ধারণা দেয়া হবে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর তারপর আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে কতদিন লাগে ?

১. এইচটিএমএল।
২. সিএসএস।
৩. জাভাস্ক্রিপ্ট।
৪.

কি হলো? কি ভাবছেন? ৪ নম্বর খালি কেন?

কারণ ৩ নম্বর পয়েন্ট পর্যন্ত পড়ার পর আপনি অবশ্যই ৪ নম্বর পয়েন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন। আর তাই ৪ নম্বর পয়েন্টে থাকছে সেটি একটি বোনাস টপিক হিসেবে।

তো চলুন শুরু করা যাক। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে কতদিন লাগে

বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। এই সময় আমরা সবাই দৈনিক কম বেশি প্রযুক্তির ব্যবহার করি। বর্তমানে কোনো কিছু করতে চাইলে সবার প্রথমেই যে বিষয়টি উঠে আসে তা হলো ওয়েবসাইট। আর এই ওয়েবসাইট তৈরি করাকেই বলা হয় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।

আজ যেহেতু ওয়েব ডেভেলপমেন্টের প্রাথমিক ধারণা দেয়া হবে তাই এখন আসুন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কিছু বেসিক জিনিস
যেমন: এইচটিএমএল, সিএসএস আর জাভাস্ক্রিপ্ট সম্পর্কে যেনে আসা যাক।

এইচটিএমএল

শুরুতেই ওয়েবসাইটকে মানবদেহের সাথে তুলনা করা যাক। কঙ্কাল যেমন দেহকে আকৃতি প্রদান করে তেমনই এইচটিএমএলও ওয়েবসাইটকে আকৃতি প্রদান করে। কঙ্কালের উপর স্তরে স্তরে মাংস চামড়ার মাধ্যমে যেমন গঠিত হয় আমাদের এই সুন্দর ও সুগঠিত মানবদেহ তেমনই ওয়েবসাইটকেও এইচটিএমএল এর ওপর লেয়ারে লেয়ারে সুন্দর ও সুগঠিত করে তোলা হয়। অর্থাৎ এইচটিএমএল এর ওপর পুরো ওয়েবসাইট দাড়িয়ে থাকে।

সিএসএস

ঐ যে বলেছিলাম কঙ্কালের ওপর মাংস চামড়ার মত এইচটিএমএল এর ওপর লেয়ারে লেয়ারে ওয়েবসাটকে সাজিয়ে গুছিয়ে সুন্দর ও সুগঠিত করে তোলা হয়। এই লেয়ারেই সিএসএস ব্যবহার করা হয়। যার মাধ্যমে মূল কাঠামো থেকে সুন্দর একটি রূপ লাভ করে ওয়েবসাইটটি। এর সাথে সাথে কঙ্কাল, মাংস আর চামড়া মিলে যেমন আমাদের সুন্দর মানবদেহ তেমনই এইচটিএমএল আর সিএসএস মিলে হয়ে গেল সুন্দর একটি ওয়েবসাইট।

জাভাস্ক্রিপ্ট

ওয়েবসাইটকে তো মানবদেহের মত সুন্দর করে তোলা হলো কিন্তু মানবদেহে যেমন প্রাণ আছে, ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হয়, নড়াচড়া করে ওয়েবসাইট তো তেমন কিছু না করে স্থির অবস্থায় আছে। সবকিছুর যেখানে মানবদেহের সাথে এত মিল সেখানে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া, নাড়াচাড়া না থাকলে কি হয়? না, হয় না। আর এই সবকিছু করার ক্ষমতা ওয়েবসাইটকে দেয়া হয় জাভাস্ক্রিপ্ট এর মাধ্যমে।

বোনাস টপিক (ডেটাবেজ)

তা সবই তো হলো কিন্তু আমাদের মত ওয়েবসাইটকেও তো ডেটা মেমোরিতে সেভ করে রাখতে হবে। তা না হলে মানবদেহের সাথে এত সেত মিল হয়ে কি লাভ হলো। আর এই ডেটা সেভের জন্য মানবদেহের মস্তিস্কের মত ওয়েবসাইটে থাকে ডেটাবেজ। এর মধ্য দিয়ে কঙ্কাল, মাংস, চামড়া, প্রাণ আর মস্তিস্ক মিলে পূর্ণাঙ্গ মানবদেহের মত এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট আর ডেটাবেজ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরী হয়ে গেল।

এর মানে এই না যে এখানেই কাজ শেষ করে দিতে হবে। চাইলে পরে আরো আপডেট করে ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। এমন সব দারুন দারুন টিপস পেতে Grathor এর Facebook Group এর সাথেই থাকুন।

Related Posts

12 Comments

Leave a Reply

⚠️

Ad Blocker Detected

Our website uses advanced technology to provide you with free content. Please disable your Ad Blocker or whitelist our site to continue.