আসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। এই পৃথিবীটা রহস্যে ঘেরা। চারদিকের রহস্য এই পৃথিবীর সবকিছু মানুষকে অজনাকে জানার এভং অদেখাকে দেখার ইচ্ছা জাগায়। আজ আমি তাই পৃথিবীর অন্যতম এক রহস্য মাউন্ট এভারেস্ট নিয়ে আলোচনা করব।
পূর্বে হিমালয় মাউন্ট এভারেস্ট আবিষ্কার এর আগে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত হিসেবে ধারণা করা হতো। পৃথিবীর সর্বোচ্চ এই পর্বতের উচ্চতা প্রায় ৮,৮৪৮মিটার অর্থাৎ ৮.৮৫ কিলোমিটার। আজ থেকে প্রায় ৬ কোটি বছর আগে জন্ম নিয়েছিলো এভারেস্ট। আমরা জানি যেকোনো পর্বত জন্ম হয় পৃথিবীর ভূগর্ভে আন্দলনের ফলে।পৃথিবীর ভূগর্ভে মাটির স্তর গুলো প্লেট আকারে থাকে।এইরকম ভারতীয় উপমহাদেশের প্লেট এবং দক্ষিণ এবং পশ্চিম এশিয়ার প্লেটের এর সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হয়েছে এভারেস্ট। প্রথমদিকে এভারেস্ট যে পৃথিবীর সর্বচ্চো শৃঙ্গ তা কিন্ত সকলের অজানা ছিলো।
সেই সময় পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে আবিস্কৃত হতো কাঞ্চনজঙ্ঘা। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে এভারেস্ট আবিষ্কার এর ইতিহাসটা কিন্তু বেশ মজাদার।এটি প্রথম যিনি আবিষ্কার যিনি করেছিলেন তিনি কিন্তু একজন বাঙালি তার নাম রাধানাথ শিকদার।১৮০৮ সালে তৎকালীন শাসনকর্তা ব্রিটিশরা শুরু করেছিলেন সর্বোচ্চ পর্বত আবিষ্কার এর অভিযান।এর জন্য তারা বৃহৎ ত্রিকোণমিতিক জরিপ।এর জন্য তারা মূলত ব্যবহার করেছিলেন ১১০০ পাউন্ড ওজনের থিওডোলাইট চন্ডের।জরিপের কাজ আরম্ভ হলো দক্ষিণ ভারত থেকে শুরু করে। ১৮৩০ সালে তারা হিমালয়ের পাদদেশে এসে পৌঁছায়।তারা আস্তে আস্তে নেপালের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।তখন নেপাল এবং তিব্বতে বিদেশিদের প্রবেশ ছিলো নিষিদ্ধ। এভাবে অনেক বাধা বিপত্তি পার হয়ে ১৮৪০ সালে কাঞ্চনজঙ্ঘায় এসে পৌঁছায়।সেই সময়ের এক ব্রিটিশ জরিপকারক এসে দেখেন এভারেস্টকে।তিনি একপলকে দেখে বুঝতে পারেন এই পর্বতটি এভারেস্ট থেকে অনেকটা বড়।তখন তিনি তার কর্মীকে এভারেস্ট জরিপ করতে পাঠান।সে উচ্চতা হিসেব করে বলে এর উচ্চতা ৩০,২০০ ফুট।কিন্তু এই হিসেব ততটা সঠিক নয়। আর এই হিসেব ফুল হবার পিছনে ছিলো আলোর প্রতিসরণ।
পরবর্তীতে তারা সরণাপন্ন হউন বাঙালি গণিতবিদ রাধানাথ শিকদার।রাধানাথ শিকদার হলেন স্যার এভারেস্ট এর একজন প্রিয় ছাত্র।তিনি তার হিসেব সম্পন্ন করে বের করলেন এভারেস্ট এর উচ্চতা।পরে সেই উচ্চতা সর্বসম সঠিক হয়।এভাবে রাধানাথ শিকদারের হাত ধরে আবিষ্কার হয় বিশ্বের সর্বচ্চো পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
অবশেষে ১৮৬৫ সালে রয়েল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এর নামকরণ করেন মাউন্ট এভারেস্ট নামে।তখন চারদিকে এভারেস্ট এর খবর ছড়িয়ে পড়ে।সকল পর্বত আরোহিরা হুমড়ে খেয়ে পড়ে এভারেস্ট জয়ের জন্য। অনেক পর্বতআরোহিরা নিহত হয়েছে কিন্তু কেউ জয় করতে পারেনি।এভাবে প্রায় ৩০ বছর ধরে এভারেস্ট অভি্যান চলতে থাকে। কিন্তু কেউই সফল হতে পারেনি।পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ডের এক পর্বতআরোহিরা এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের তেনঞ্জিং নরগে এভারেস্ট অভিযান শুরু করেন।
এভাবে ১৯৫৩ সালের ২৯ শে সকাল ১১ টায় পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।এভাবে প্রায় এখন অবধি ২৫০০ হাজার মানুষ এভারেস্ট জয় করেন।যেখানে একবারে এভারেস্ট এ উঠা কষ্টসাধ্য ব্যাপার সেখানে নেপালের আপা শেরপা প্রায় ২০ বার এভারেস্ট জয় করেন।
এভারেস্ট এর চূড়ায় অনেক ধরণের ব্জ্র পদার্থ থাকে। এইজন্য এভারেস্টকে বিশ্বের সবথেকে নোংরা পর্বতও বলা হয়।এই অবধি প্রায় ৪০০০ হাজার মানুষ এভারেস্ট অভিযানে অংশগ্রহণ করে থাকে।তারমধ্যে ২২০০ জন মানুষই এভারেস্ট অভিযানে সফলতা অংশগ্রহণ করে থাকেন।
আশা করি আপনারা সকলে আজকের আর্টিকেলটি পড়ে অনেক অজানা কিছু জেনেছেন। আজ এইটুকুই।ধন্যবাদ সবাইকে।
ভালো থাকেন
সুস্থ থাকেন

গুড
😀
Informative artical.
😃
অনেক কিছু জানলাম
😀
অনেক কিছু জানলাম
অনেক কিছু জানলাম
অনেক কিছু জানলাম
অনেক কিছু জানলাম
অনেক কিছু জানলাম
Ok
নতুন সাইট ভালো ইনকাম ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো রেজিস্টার করলেই পাবেন ২৩০ টাকা বোনাস ৩০০ টাকা হলে পেমেন্ট নিতে পারবেন । লিংক এ গিয়ে দেখে আসুন ভালো লাগলে করবেন । ধন্যবাদ
https://blog.jit.com.bd/earning-site-3778
খুব সুন্দর
good