আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই? আশা রাখি ভালো আছেন। আমরা অনেকেই আমাদের বাড়িতে বিভিন্ন প্রাণীদের পুষে থাকি। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা বিড়াল পোষে থাকেন তাদের বাড়িতে। আর আপনিও হয়তো তাদের মধ্যে কেউ একজন যিনি বিড়াল পোষে থাকেন। এক্ষেত্রে যদি আপনি বিড়ালের উপকারিতা এবং অপকারিতা, বিড়ালের লোম কি ক্ষতিকর ? বিড়াল পালন সম্পর্কিত কিছু তথ্য জেনে রাখেন তবে আপনি অনেক অজানা বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন।
বিড়াল পোষার উপকারিতা বা অপকারিতার সাথে আপনাদের কমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো আর্টিকেলের শেষের দিকে। চলুন তবে আর্টিকেলটা শুরু করা যাক।
বিড়ালের উপকারিতা
১. বিড়াল পোষার সবচেয়ে কার্যকরী একটি উপকারিতা হচ্ছে আপনি নিজের একাকিত্ব দূর করার মতো একটি সঙ্গী পেয়ে যাবেন। বিড়াল একবার আপনার পোষা হলে, সে আপনার সঙ্গীর মত আপনার সাথে থাকবে। নিজের একাকীত্ব দূর করতে বিড়াল পোষতে পারেন।
২. একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে বিড়াল পোষার ফলে একজন মানুষ অন্য সব সাধারণ মানুষের তুলনায় কিছুটা হলেও বেশি স্বাভাবিক এবং সুস্থ্য থাকে।
৩. বিড়াল পোষা একটি স্মার্ট এবং অত্যন্ত ভালো শখ, সুতরাং যারা নিজের ভালো অভ্যাস গড়তে চান তারা বিড়াল পোষার অভ্যাস করতে পারেন।
৪. কুকুরের তুলনায় বিড়াল অনেকটা কম খাদ্য খেয়ে থাকে ফলে আপনার বিড়ালের খাওয়া নিয়ে খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন নেই।
৫. যখন আপনি বিড়াল পোষবেন তখন আপনি তার প্রতি যত্নশীল হবেন। আর এভাবে কারো প্রতি যত্নশীল হলে আপনি নিজের প্রতিও বেশ যত্নশীল হবেন।
এছাড়াও বিড়াল পোষার আরো অনেক উপকারিতা আগে যেগুলো বিভিন্ন গবেষণায় ফুটে উঠেছে।
বিড়ালের অপকারিতা
যদিও বিড়াল পোষার তেমন কোনো অপকারিতা নেই। তবে যখন আপনি কোনো বিড়াল পোষার জন্য বাড়িতে আনবেন তখন সেটিকে বাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। এতে বাহিরের জীবাণু তাকে সংক্রমিত করতে পারবে না। কারণ বাহিরের জীবাণু বিড়ালের সংস্পর্শে আসলে বিড়ালের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি হতে পারে। যার প্রভাব আপনার উপরে আসতে পারে। তাই সবসময় নিজের মতই বিড়ালের যত্ন নিন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখুন।
বিড়ালের লোম কি ক্ষতিকর ? বিড়ালের উপকারিতা
বিড়াল এর লোম আমাদের স্বাস্থের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর। বিড়ালের লোম কোনোভাবে আমাদের পেটে গেলে সেটি থেকে ডিপথেরিয়া এবং হাঁপানী এর মত বিভিন্ন রোগ ব্যাধির জন্ম হতে পারে। তাই এই বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা অতীব জরুরি।
বিড়াল এর খাবারের তালিকাঃ
বিড়ালের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিন থাকা জরুরি। প্রোটিনযুক্ত খাবারের মধ্যে মাছ, মুরগির মাংস, গরুর মাংস ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। খাবারগুলো অবশ্যই সেদ্ধ করে তারপর খাওয়াতে হবে। সুতরাং আপনার বাড়ির পোষা বিড়ালের খাবারের তালিকায় যে ধরনের খাবার হোক না কেন তাতে যেন অবশ্যই উপরে উল্লেখিত খাদ্য উপাদান থাকে সে বিষয়ে লক্ষ রাখবেন।
আজকে আপনাদের বিড়াল পোষার উপকারিতা এবং অপকারিতা সাথে বিড়াল পালনের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিলাম। যদি আপনার আরো কোনো প্রশ্ন থাকে তবে সেই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। এমন সব দারুন দারুন পোস্ট পেতে Grathor এর Facebook Group এর সাথেই থাকুন।

Nice
nice
Nc
nice
Awesome
নতুন কিছু ঔ
ok