অষ্টম শ্রেনির কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ সৃজনশীল প্রশ্নোর উত্তর। (ক). কি ফুৎকারের মাধ্যমে কিয়ামত সংঘটিত হবে। (খ).وأخرجت الأرض اثقالها 3, আয়াতের অর্থ লেখ। জেনে রাখা ধরকার।

সুপ্রিয় দর্শক মন্ডলী আসসালামুয়ালাইকুম!
কেমন আছেন আপনারা? আশা করি আল্লাহ তায়ালার রহমতে সকলে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।
তো আমি আবারো ধারাবাহিক ভাবে
৮ম শ্রেনীর শিক্ষাথীদের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নর উত্তর নিয়ে (বাংলায়) আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। আমি আশা করি আপনারা যদি সুন্দর ভাবে বাংলা গুলোর পাশাপাশি আরবি গুলো খাতায় লিখতে পারেন, তাহলে আমি অবশ্যই বলবো এই বিষয়ে আপনার A+ নিশ্চিত।
তো এবার খাতা কলম নিয়ে তৈরি হয়ে যান, লিখার জন্য।

অষ্টম শ্রেনির কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর। পেতে এখানে ক্লিক করুন।

:::::::::বিষয়: সৃজনশীল প্রশ্নোর উত্তর:::::
» প্রশ্ন ॥১৭, সফিক তার ছােট ভাই আনিসকে বলল, কেয়ামতের। সময় শিংগার ফুৎকারে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। মৃতরা জীবিত হয়ে যাবে। পৃথিবী তার সকল বােঝা বের করে দিবে। তখন আনিস বলল, ভাইয়া চোর ডাকাত, খুনি, অত্যাচারী তখন। আফসােস করবে।

(ক). কি ফুৎকারের মাধ্যমে কিয়ামত সংঘটিত হবে।
(খ).وأخرجت الأرض اثقالها 3, আয়াতের অর্থ লেখ।
(গ) , সফিকের বক্তব্যের সাথে পাঠ্য বইয়ের মিল দেখাও।
(ঘ). আনিসের বক্তব্যের বিশ্লেষণ কর।

::::::::::::::: ১৭ নং প্রশ্নের উত্তর:::::::::::::
(ক). শিংগায় ফুৎকারের মাধ্যমে কিয়ামত সংঘটিত হবে।

(খ). আলােচ্য আয়াতে কারিমায় কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার আলামত বর্ণিত। واخرجت الأرض اثقالها, আয়াতটির অর্থ হচ্ছে। আর জমিন তার বােঝা বের করে দেবে।

(গ). সফিকের বক্তব্যের সাথে পাঠ্য বইয়ের যথেষ্ট মিল রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পাপ পুণ্যের হিসাব নেয়ার জন্য কিয়ামত সংঘটিত করবেন । আর এর শুরু হবে , ফেরেশতা ইসরাফিলের শিংগায় । ফুফারের মাধ্যমে। যেমন- পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে –
فاذا نفخ في الصور نفخة واحدة ………….. فيؤمئد وقعت الواقعة فاذا ن| ইহজগতের পরিসমাপ্তি ঘটে , পরকালের সূচনা হয়। অর্থাৎ কেয়ামত এক ভয়াবহ অধ্যায়ের নাম। যার মাধ্যমে। সবকিছু বের করে দিবে। যেমন ইরশাদ হচ্ছে واخرجت -الارض اثقالها
প্রথম ফুংকার পরবর্তী ভূ – কম্পনে মৃতরা কবর। হতে উথিত হবে।

(ঘ). আনিসের বক্তব্য সঠিক ও যথার্থ।
মহান আল্লাহ পাপ পুণ্যের হিসাবের জন্য সকল মানব ও জিন জাতিকে কিয়ামতের মাঠে একত্রিত করবেন , তখন কাফির বেদ্বীনরা আফসােস করবে। প্রদত্ত উদ্দীপকে উল্লেখিত আনিসের বক্তব্য সঠিক ও যথার্থ। কেননা, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন- কেয়ামত এক ভয়াবহ অবস্থার নাম। যখন আকাশ – বাতাস বিদীর্ণ হয়ে যাবে, ভূমি তার সব কিছু উদগীরণ করে দিবে, মানুষেরা পঙ্গপালের মত উথিত হবে। সেই ভয়াবহ মুহুর্তে পাপী – তাপীদের আফসােসের শেষ থাকবে না। উল্লিখিত আলােচনা দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, সেদিন চোর – ডাকাত খুনী , অত্যাচারিরা আফসােস করবে। তাই আনিসের বক্তব্য সঠিক ও যথার্থ।

তো দর্শক আজ এই পযন্ত, দেখা হবে আবারো।
*হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন মাক্স পড়ুন এবং নিরাপদ থাকুন সামাজিক ডিসটেন্স বজায় রাখুন।
লেখক: মুহাম্মাদ সজিব মৃধা
(আল্লাহ হাফেজ)

 

Related Posts

10 Comments

Leave a Reply

⚠️

Ad Blocker Detected

Our website uses advanced technology to provide you with free content. Please disable your Ad Blocker or whitelist our site to continue.