সখিপুর গ্রামের মিনারা বেগম বাড়ির পাশের 5 শতক জমিতে পুকুরে রুই কাতলা সিলভার কার্প ও কার্পিও জাতের মাছ চাষের উদ্যোগ নেন। উদ্দীপকে মিনারা বেগম যে পদ্ধতিতে মাছ চাষ করছেন তা হল মিশ্র মাছ চাষ পদ্ধতি। মিনারা বেগম এর গৃহীত পদক্ষেপটি খুবই প্রশংসনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ।
মিনারা বেগম যে মাছ গুলো চাষ করার জন্য বেছে নিয়েছেন সেগুলো পুকুরের বিভিন্ন স্তরের খাবার খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। এই মাছ চাষের জন্য প্রথমেই তিনি পুকুর প্রস্তুত করেন। এবং পুকুর প্রস্তুত করার জন্য তিনি মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নেন। যার ফলে তিনি আরো ভালোভাবে ও সফলভাবে মাছ চাষ করতে সক্ষম হবেন।
মিনারা বেগম এর উক্ত উদ্যোগটি সফলভাবে পরিচালনা করতে পারলে তিনি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
ফলে তার এলাকার বেকারত্ব হার হ্রাসের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে। অন্যদিকে তিনি যে মাছ চাষ করবেন সেই মাছ বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন যা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে। এছাড়া চাষকৃত মাছ মিনারা বেগম এলাকার মাছের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করে দেশের মাছের চাহিদা পূরণ অবদান রাখবে।
পরিশেষে বলা যায় মিনারা বেগম এর মাছ চাষের উদ্যোগের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে বেগবান হবে এবং দেশে বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে।

ভাল হয়েছে।