চিকন থেকে মোটা হওয়ার উপায়।স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা।

 আসসালামু আলাইকুম, আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি অনেক বেশি ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।প্রত্যহ আমি আমার আইডি থেকে নতুন নতুন ব্লগ নিয়ে আসছি।ঠিক তেমনি আজও একটি ব্লগ নিয়ে এসেছি।আপনাদের সামনে আজ আমি আমার ব্লগ উপস্থাপন করতে যাচ্ছি।তো আজকে আমি আলোচনা মোটা হওয়ার কতগুলো কার্যকরী ট্রিক্স।তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

 

স্বাস্থ্যই সম্পদ, বলে একটা কথা আছে।সমাজে সবাই যে মোটা ও স্বাস্থবান হবেন তা কিন্তু নয়।আমরা কেউ মোটা আবার কেউ চিকন।যারা চিকন তারা নিশ্চয়ই নানা অবহেলার স্বীকার হয়।কাজেই আমি আজ কতগুলো ট্রিক্স দেখাব কিভাবে একজন সহজেই মোটা হতে পারে।তাহলে চলুন শুরু করি

  • মোটা হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খাওয়া দাওয়া।কাজেই ভালোমতো খাওয়া দাওয়া করতে হবে।মনে রাখবেন ছোটোবেলা থেকেই ভালো খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস থাকতে হয়।খাদ্যাভাস ঠিক রাখতে হয়।কাজেই খাদ্যাভাস যদি ভালো না হয়।তাহলে তা চেঞ্জ করতে হবে।যেমন ধরুন আপনি মাংস দিয়ে খেতে পছন্দ করেন।ছোটোবেলা থেকেই হয়তো মাংস বেশি খাওয়ানো হয়েছে,তাই..কাজেই মাংস পছন্দ না করে বেশি বেশি ফল মূল পছন্দ করতে হবে।আর অনেকেই আছে ফল মূল খায় না,বা খেতে পছন্দ করে না।এর কারন তাকে ছোটোবেলায় ফলমূল ভালোমতো খাওয়ানো শেখানো হয় নি।কাজেই এ ব্যপারে সচেতন হতে হবে।
  • খাওয়ায় রুচি না থাকলে নিশ্চয়ই অনেক ধরনের ভিটামিন ওষধ খান।অথচ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো ফায়দা হয় না।কাজেই এর বদলে আপনি ফল মূল অথবা ফল মূলের জুস খান।মানে আসল ব্ল্যান্ডিং করা জুস,বাজারের কোনো জুস না।এতে আপনার খাওয়ার রুচি বাড়বে।
  • নিয়মিত একটা রুটিন মাফিক খাওয়া দাওয়া করেন।এর অনিয়ম ভুলেও করবেন না।তাহলে আপনি স্বাস্থবান হয়ে উঠবেন।
  • আপনি যদি অতিমাত্রায় চিকন হোন, তবে ১ প্লেটের জায়গায় ১.৫ প্লেট অথবা ২ প্লেট খাবার খাবেন।

অবশ্যই পড়বেনঃ 

#অনালাইন আয়ের বাংলাদেশি বেস্ট সাইট।Grathor.com

 

#দ্রুত গতিতে ফোন চার্জ করুন।Grathor.com

 

  • কম কম করে একটু পরপর খাবেন না। বরং দিনে ৩ বার অথবা ৪ বার বেশি বেশি করে খাবেন।আর কখনো সকালে কম খাবেন না।নাস্তা করলেও পুষ্টি সমৃদ্ধ নাস্তা করবেন।আর রাতে বেশি খাবার খাওয়ার তেমন দরকার নেই।যতক্ষন পর্যন্ত ক্ষুধা না যায় তত ক্ষন পর্যন্ত খাবেন।
  • যারা শারীরিক পরিশ্রম করেন,তাদের খাবার খাওয়ার কোনো নিয়ম আছে বল আমি মনে করি না।বরং যতক্ষণ পর্যন্ত খাবার গলা অবধি না পোছে ততক্ষণ পর্যন্ত খাবেন।কারণ শারীরিক পরিশ্রম করে বেশি খাবার খেলে শারীরিক কাঠামো একদম পারফেক্ট থাকে।অপরদিকে বসে থেকে বেশি বেশি খেলে শরির খারাপ রকম মোটা হয়ে যায়।                 

 

তো আজ এ পর্যন্ত।দেখা হবে অন্য আরেকটি পোস্টে।সে পর্যন্ত সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন।আর হ্যা, নিশ্চয়ই করোনা ভাইরাসের ভয়াভহতার ব্যাপারে অবগত আছেন।কাজেই ঘরে থাকুন,সুস্থ থাকুন।সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।খোদা হাফেজ।

 

 

Related Posts

8 Comments

Leave a Reply

⚠️

Ad Blocker Detected

Our website uses advanced technology to provide you with free content. Please disable your Ad Blocker or whitelist our site to continue.