আজকে একটি অন্যরকম টপিক নিয়ে আলোচনা করব।একটি সাইকোলজিক্যাল রোগ নিয়ে আলোচনা করবো।গত কোন একটি পর্বে আমি সাইকোলজিক্যাল সংক্রান্ত একটি ডিজঅর্ডার লিখেছিলাম।আজ আরেকটি ডিজঅর্ডার নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন শুরু করা যাক আজকের আলোচনা।
আজকে যেই সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার সম্পর্কে আলোচনা করবো সেটি হচ্ছে ইম্পালস কন্ট্রোল ডিসঅর্ডার।
এই ইম্পালস কন্ট্রোল ডিজঅর্ডার আবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যেমন –
-অহেতুক,অকারণে চুরি করা, একে ক্লেপ্টোম্যানিয়া বলা হয়ে থাকে।
-বিনা কারণে মিথ্যা বলা যাকে প্যাথলজিক্যাল লায়িং বলে, এই পর্যায়ে রোগী অহেতুক যাচ্ছেতাই বলা শুরু করে দেয়।এদের বিশ্বাস ও করা যায় না কোন ভাবেই
– ইন্টারনেটে আসক্তি বা টেনে টেনে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলার প্রবণতা ট্রিকোটিলোম্যানিয়া,তবে যারা ভয়ঙ্কর রকমের ইন্টারনেট চালায়,তাদেরই বলা যায়।
-নিজের ত্বক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তুলে ফেলা, চামড়া ছিঁড়ে ফেলা, যেটাকে বলা হয় স্কিন পিকিং।
-অযথা বা কোন দ্বন্দ এবং উদ্দেশ্য ছাড়াই অন্যের সম্পত্তি, ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়া যাকে বলা হয় পাইরোম্যানিয়া
-স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক যৌনচিন্তা ও আচরণে যৌণতা নিয়ে সব সময় আচ্ছন্ন থাকা এবং এ বিষয়ে চিন্তা ব্যতীত থাকতে না পারা,যেটাকে বলা হয় সেক্সুয়াল কম্পালস।
– প্যাথলজিক্যাল গ্যাম্বল, যেখানে ব্যক্তি সব সময় কোন জুয়া বা বাজি ধরেন এবং বাজি না ধরতে পারলে তার মনে অশান্তি বিরাজ করে। এতে তার আর্থিক, সামাজিক ক্ষতি নিয়ে রোগী ব্যক্তিটি কোন চিন্তা করেন না।এক্ষেত্রে রোগী সর্বহারা হতেও দ্বিধাবোধ করেন না।
– কম্পালসিভ শপিং। এ সমস্যা যাঁদের আছে, তারা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কেনাকাটা করে ঘর ভর্তি করে ফেলেন এবং কিনতে না পারলে তার উৎকণ্ঠা দূর হয় না।তারা শপিং না করতে পারলে যেন পাগলের মতো হয়ে যায়।
-কোন কারণ ছাড়াই বা তুচ্ছ কারণে অন্যকে ইচ্চামতো আর খামোখা গালিগালাজ করা যাকে ইন্টারমিটেন্ট এক্সপ্লোসিভ ডিসঅর্ডার বলা হয়।
এখন কী করবেন এই ধরণের মানসিক সমসস্যা এড়িয়ে চলার জন্য?
এই ধরণের সাইকোলজিক্যাল সমস্যা এড়িয়ে জন্য বাইরের জগৎ বা প্রকৃতির স্পর্শ নেয়া ভালো।তবে আপনার যদি এই ধরণের সমস্যা বা লক্ষণ দেখা দেয়,তবে সাইকোথেরাপিই নেয়া উত্তম,প্রয়োজনে ডাক্টারের বা সাইক্রিয়েটিস্ট এর সাথে যোগাযোগ করুন।আর এধরণের সমস্যা কে খুব বেশী চেপে না রাখাই উত্তম,নাহলে পরবর্তীতে আরও সমস্যা হতে পারে।
আশা করি আজকের আর্টিকেলটির মাধ্যমে ইম্পালস কন্ট্রোল ডিসঅর্ডার সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। কোথাও ভুল ত্রুটি করলে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন,সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।
-ধন্যবাদ।

Nice post.
Gd
মানসিক ডাক্তার হয়ে যাবো তো।
ভালো লিখেছেন।খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
Gd
ভালো লাগলো
Ok
darun post
NICE POST
ভালো লিখেছেন