আমি আজ আপনাদের সাথে কিছু ভৌতিক ঘটনা শেয়ার করব

 

আসসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন,
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন,
তো আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু ভৌতিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করব,
যা আমার বন্ধু এবং চাচার থেকে শুনা,তো আমি মূল কথাই আসি
আমার চাচার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা:আমার চাচারা থাকতো একটা হিন্দু পারায় সেখানে বলতে গেলে সবাই হিন্দু পরিবার শুধু  ১,২ ফ্যামেলি মুসলিম পরিবার ছিল,তো চাচা দের বাসার পাশে ছিল একটি নর্দামা যেখানে সবাই ময়লা ফেলত তো বাসা এবং নর্দামার মাঝে ছিল একটি দেয়াল,তো চাচি যখন চাচার কাপড় শুকাতে দিচ্ছিল তখন হঠ্যাৎ করে কাপড় ওড়ে গিয়ে নর্দামার পাশে পড়ে যাই,তো চাচা সন্দ্যায় বাসায় আসলে চাচি চাচাকে কাপড় পড়ে যাওয়ার কথা বলে।পরে চাচা যায় নর্দামার ওপাড়ে কাপড় আনতে তখন রাত ঘনিয়ে আসছিল,তো চাচা যখন কাপড় নিয়ে বিল দিয়ে আসছিল তখন হঠ্যাৎ করে কালো কালো বিশার বড় ৪ টা সাপ এসে চাচা কে ঘিরে ধরে যা চাচার থেকেও লম্বা ছিল,তো চাচা প্রুচুর ভয় পেয়ে যায়।আর এদিকে চাচা আসছে না বলে। চাচি চাচাকে খুজতে বের হয়।পরে চাচি দেখে চাচাকে বড় বড় চারটি সাপ ঘিরে রেখেছে।এটা দেখে চাচি জোরে একটা চিক্কার দেয়,এতে আশেপাশের লোকজন জড়ো হয়ে যায়।এটা দেখে সবাই অবাক তো চাচা মনে মনে চোখ বন্ধ  করে আয়তুল কুরসি পাঠ করে,এবং পাঠ শেষে চোখ খুলে দেখে সাপ গুলা আর নাই।

[তো বন্ধুরা সবসময় একটা কথা মনে রাখবেন যতো বিপদেই পরোন না কেন সবসময় আল্লাহ কে সরণ করবেন এবং আয়তুল কুরসি পাট করবেন]

আমার বন্ধুর থেকে শুনা ঘটনা:জীবনের প্রথম ঘটনা,ঘটনা ঘটে ১৯৯৯ সালে।আমার বাবা কৃষক।উনি শাকসবজি চাষ করতেন,সে সবাধে আমি হাটবাজ এ এগুলা বিক্রি করার সুবিধা পেতাম।তা আমি আমাদের নিকট হাট বাজার শনি বৃহঃ বসতো,তো আমি হাটে গেলাম বিক্রি করতে।তো ডোল পিটিয়ে বলা হচ্চিল যাত্রা পালার কথা।তো আমি যাত্রা পালা দেখতে যাবো তো কিভাবে যাবো তা ভাবতে থাকতাম।তো বাড়ির দিষে রওনা দিলাম।তো আমার পাশের বাড়ির মামার সাথে দেখা তো মামাকে বললাম  তো মামাকে বললাম মামা হাঠে তো ঢোলাই দিলো দক্ষিণ পাড়াল যাত্রা পালা হবে আপনি যাবেন কিনা,তো মামা বলে হ্যাঁ যাবো, তো আমি বললাম আমিও তো যাবে নিবেন কিনা।তো মামা বলে হ্যাঁ বলে কি তুমি খাওয়া দাওয়া করে বাড়িতো আসো আরো অনেক এ যাবে,তো আমি বাড়িতে আশি।বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া করে রওনা দেব।এখানে বলে রাখি আমাদের বাড়ি এই মামার বাড়ি সে আমাদের বয়সে বড় কিন্ত বন্ধুর মতো বাড়ির পার্থক্য ৫০০ থেকো ৬০০ গজ।এর মধ্যে আমাদের পাশের বাড়ি কবরস্থান তার পাশেই মামার বাড়ি।তো রাদে খাবার খেয়র বের হচ্চি তো আমার ছোট ভাই কিভাবে যানছে, তখন ছোট ভাই বলে ভাই তুমি কোথায় যাচ্ছে,তখন আমি বলি না তুই যাসনে বাবা জানলে বকা দিবে।তখন ছোট ভাই বলে আমাকে না নিলে আমি বাবা বা মাকে বলে দিবো।তো আমি বললাম আচ্চা চল।তো আমরা পুকুরের পাশ গেসে কবরের পাশের একটা রাস্তা আছে তো আমি ভাবলাম রাত ১০ টা বাজে কবরের পাশ দিয়ে যাবো না অন্য রাস্তা দিয়ে যায়।তখন আমি অন্য রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আমার মনে হলো পিছন পিছন কে যেনো আসতেছে,তো পিছনে থাকিয়ে দেখি একটা লাল কুকুরের বাচ্চা।তো আমার ছোট ভাই কে বললাম কিরে আমাদের পালা কুকুরের বাচ্চা টা তো আসতেছে,তো ছোট বলল হ্যকঁ এটা তো আমাদের পালা কুকুরের বাচ্চা।তো আমি জোরে বলতে পারছিলাম।তো এর মধ্যে বাবা হাটের থেকে বাড়িতে চলে আসছে তাই এর জন্য আমরা পিসপিস করে বলছিলাম,কুকুর টা লাল হওয়াই আমরা লালটু বলতাম।আমাদের আওয়াজ বা দেখলে সামনে এসে লুটুপুটু করতো তো আমাদের দেখে সে সামনে এসে লুটু পুট করতেছে।তো আমি বললাম এ লালটু এ লালটু যা যা আমরাতো দক্ষিণ পাড়ায় যাত্রাপালা দেখতে যাচ্ছি তুই গেলে তো হারিয়ে যাবি।তো আমি আলতু করে লাতি দিলাম।তো যাযা কিন্ত লাতি টা লাগছে না ও সে যাচ্ছে না।তো আরো ১০ ১৫ হাত যাওয়ার পরে ওকানে বাশ ঝাড় ওখানে আমার বাড়ির থেকে একটু দূর তো ওকানে যে বললাম ও লালটু এখন যদি না যাস তাহলে লাতি দিয়ে পুকুরে ফেলে দিবোতো এ কথা বলে সামনের দিকে যাচ্ছি তো আরো ১০ ১৫ হাত যাওয়ার পরে আবার পিছন ফিরে দেখি কুকুরের বাচ্চাটা ৫ ৬ হাত এর মধ্যে পার্থক্য।তখন আমার ছোট ভাই কে বলছি কিরে আমাদের কথা কি কুকুর টা কি কথা গুলো বুঝলো।এ তো আমি লাতি দিয়ার কথা বললাম এতো আর সামনে আসছে না আর লাতি দিলাম তাও লাগলো না।কারণ টা কি তখন ছোট ভাই বলে কারণ যাই হোক এখন চলো তো।তারপর যখন রওনা দিছে তখন একটা আওয়াজ হলো তো পিছনে থাকিয়ে দেখি যে এটা কুকুর না এতক্ষণ যেটা কুকুরের বাচ্চা দেখলাম সেটা কুকর না সেটা ভয়ঙ্কর একটা সিংহের মতো কেশ লম্বা লমব্া কেশ শুধু দুইটা লাল চোখ আর একটু মানুষের মতো যেমন সিংহের নাক বুঝা যায় এমন দেখি যে সেটা মাটিতে না মাটি থেকে আরো দুই থেকে আড়াই ফুট উচ্চতায়।এবং আসাদেরকে দেখে সে বিভিন্ন অঙ্গ বঙ্গি করতেছে,তো আমরা তা দেখে আমরা ভয় পেয়ে গেলাম।তো আমরা ভাবতেছিলাম আমরা কোন দিকে দোড় দিবো।কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না,তো আমি তাড়াতাড়ি করে ছোট ভাই এর হাত ধরলাম।ধরে ওর দিকে তাকাই তে তাকাই তে এই জন্তু টা আমাদের  দিকে এগিয়ে আসছে।ওর দিকে থাকিয়ে থাকিয়ে আমরা পিছনে যাচ্ছি

তো পাশেই আমার এক দাদার বাড়ি,তো পিছনে পিছনর হাটতে হাটতে তাদের পাট শোলার বেড়ার সাথে ধাক্কা খেলাম।তো দাদি বলে কেরে রে তো আমরা বললাম দাদি আমরা এ বলে আমরা দুই ভাই উঠান দিয়ে মামার বাড়ি দৌড় দিলাম।তো আমার মামার বাড়ির উঠান ও পরে গেলাম,তো আমরা পরে গিয়ে কাপতেছি।তো মামা এবং তার বাবা মা নানা নানী আমাদের জিজ্ঞাস করলো কিরে তোরা এভাবে কাপতেছিস কেন,তো আমরা বললাম আমরা ভয় পাইছি,তো বলে যে কিসের ভয় পাইছিস,তো বললা যে আমরা একটা কুকুর দেখলাম কিন্ত পরে দেখি এটা মানুষ বা সিংহের আকৃতির কিছু একটা,তো আমাদের তাবা মারার জন্য এগিয়ে আসিতেছিল,তাই ভয় পাইছি।তো নানী বলে যে তোর নানা তো তোদের পুকুর থেকে গোসল করে আসল,তখন নানা বলে যে আমি তো একটা ঘাটের ওপর একটা কালো কুকুর দেখছি।তো আমি বললা যে ওঠা কালো কুকুর না আমরা প্রথমে আমাদের পালা কুকুর ভাবছিলাম,কিন্ত পরে দেখি যে এঠা একটা সিংহের মতো হয়ে গেল আর এটা আমাদের তাবা মারতে আসছিল।তা নানা পরে ঘরে নিয়ে ঝাড়ফুঁক দিলো,তারপর সবাই মিলে যাত্রা পালা দেখতে গেলাম।

কেমন লাগলো বন্ধুরা কমেন্ট করে জানাবেন

Related Posts

9 Comments

Leave a Reply

⚠️

Ad Blocker Detected

Our website uses advanced technology to provide you with free content. Please disable your Ad Blocker or whitelist our site to continue.