আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক, আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি।
আজকের আলোচনার বিষয়: আইপিএস কি? আইপিএস এর ব্যাটারি গরম হয় কেন আইপিএস এর উপকারিতা।
আইপিএস কি?
লোডশেডিং বাংলাদেশ একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। গ্রাম এবং শহরে প্রতিনিয়ত আমরা বিদ্যুৎ চলে গেছে বলে শুনে থাকি। বিদ্যুৎ চলে গেলে বা লোডশেডিং হলে আমরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হই। গরমে আমাদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে। লোডশেডিং থেকে মুক্তি পাওয়ার বিকল্প উপায় হচ্ছে আইপিএস।
IPS তার ব্যাটারি চার্জ এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাখে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ সরবরাহ করে। আইপিএস এর পূর্ণরূপ হল ইনস্ট্যান্ট ব্যাটারি সাপ্লাই। আইপিএস বিদ্যুৎ রিজার্ভ করে রাখে এবং যখন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
আইপিএস এর ভিতরে একটি ব্যাটারি থাকে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে বিদ্যুৎ এসে ব্যাটারীকে চার্জ দিয়ে রাখে এবং যখন বৈদ্যুতিক লাইন এ বিদ্যুৎ থাকে না তখন আইপিএস ব্যবহার করা হয়ে থাকে।গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজকর্ম এবং টিভি,রেডিও, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক লাইট চালাতে আইপিএস ব্যবহার করা হয়। তবে আইপিএস চালিয়ে ফ্যাক্টরিতে কোন কাজ করা যায় না।
আইপিএস এর ব্যাটারি গরম হয় কেন
ব্যাটারি পরিবর্তনশীল একটি বস্তু। বিভিন্ন কারণে ব্যাটারি গরম হয়ে যায় বা তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ব্যাটারি খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আবার খুব কম তাপমাত্রায়ও ব্যাটারির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায় ব্যাটারীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চার্জ থাকেনা।
দীর্ঘদিন ব্যাটারি ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে অল্প সময়ে ব্যাটারি ব্যবহার করলেই ব্যাটারি গরম হয়ে যায়। ব্যাটারীতে চার্জ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলেও অনেক সময় দেখা যায় ব্যাটারি গরম হয়ে যায়, তাই ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াতে ব্যাটারীতে চার্জ থাকাকালীন অবস্থাতেই চার্জ দিতে হবে।
আইপিএস এর ব্যাটারীতে কয়েকদিন পর পর পানি চেঞ্জ করতে হয়, পানি চেনস না করলে অনেক সময় দেখা যায় খুব দ্রুত ব্যাটারি গরম হয়ে যায়। দীর্ঘসময় আইপিএস ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারি গরম হয়ে যায়। একবার একটি আইপিএস এর ব্যাটারি ফুল চার্জ দিলে তা দেড় থেকে আড়াই ঘন্টা বিদ্যুৎ প্রবাহ সরবরাহ করতে পারে।
আইপিএস এর উপকারিতা –
১) বাসাবাড়িতে বা দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজকর্মে লোডশেডিংয়ের সময় খুব দ্রুত আইপিএস সাপোর্ট দেয়।
২) সচরাচর ব্যবহারের জন্য আইপিএস ঝুকিমুক্ত এবং খুবই নিরাপদ।
৩) আইপিএস এ কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা হয় না তাই আইপিএস ব্যবহারে খরচ অনেক কম পড়ে।
৪) আইপিএস খুবই সহজলভ্য এবং সহজে ব্যবহার উপযোগী বলে বর্তমানে বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, বিভিন্ন দপ্তর এবং হসপিটালেও আইপিএস ব্যবহার করতে দেখা যায়।
৫) অনাকাঙ্ক্ষিত লোডশেডিংয়ের সময় আইপিএস খুবই ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে।
তাই বর্তমান সময়ে লোডশেডিং এর বিকল্প হিসেবে আমরা আইপিএস ব্যবহার করতে পারি কারণ বর্তমানে এটি খুবই জনপ্রিয় এবং যুগোপযোগী।
পোস্টটি কেমন লাগলো দয়া করে কমেন্টে জানাবেন, যদি ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যয় শেয়ার করবেন, পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এমন সব দারুন দারুন পোস্ট পেতে Grathor এর সাথেই থাকুন এবং গ্রাথোর ফেসবুক পেইজ ও ফেসবুক গ্রুপ এ যুক্ত থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ।
Ok
ধন্যবাদ
nice
gd